Skip to Content
একাত্তরে বন্দী মুজিব : পাকিস্তানের মৃত্যুযন্ত্রণা

Price:

320.00 ৳


একাত্তরে পরাশক্তির যুদ্ধ
একাত্তরে পরাশক্তির যুদ্ধ
224.00 ৳
280.00 ৳ (20% OFF)
একাত্তরের অজানা অধ্যায় : এক খলিফার বয়ান
একাত্তরের অজানা অধ্যায় : এক খলিফার বয়ান
224.00 ৳
280.00 ৳ (20% OFF)
20% OFF

একাত্তরে বন্দী মুজিব : পাকিস্তানের মৃত্যুযন্ত্রণা

নির্জন। নিঃসঙ্গ। বিভীষিকা। মৃত্যুকূপ যেন! বাঙালি জাতিরাষ্ট্রের পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বন্দী। বাংলাদেশের পক্ষে যুদ্ধ ঘােষণা, পরিচালনা, রাষ্ট্রদ্রোহিতার অভিযােগে অভিযুক্ত। সামরিক ট্রাইবুনালে বিচারের সময় ইয়াহিয়া খানের ২৬শে মার্চের ভাষণ শােনানাে হলাে। তিনি বললেন: এই যদি অভিযােগ, তাহলে আমার কোনাে আইনজীবীর প্রয়ােজন নেই। তবুও রাষ্ট্রপক্ষ এ. কে. ব্রোহীকে নিয়ােগ দিলাে। বঙ্গবন্ধু বললেন: এসবের প্রয়ােজন নেই। ইয়াহিয়া খান ঘােষণা করেছেন মুজিবকে শাস্তি পেতেই হবে। প্রধান সামরিক আইন প্রশাসক তার নিয়ােজিত মিলিটারি কোর্ট। ক্যামেরা ট্রায়াল। প্রিজাজড রায় লিখিত। এ ক্ষেত্রে বিচার হবে প্রহসন। সেলের সামনে কবর খোঁড়া শেষ। অন্যদিকে বিশ্বজনমতের চতুর্ভূজ চাপ: ‘মুজিবকে মুক্তি দিতে হবে। বাংলাদেশকে ঘিরে ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধ। পাকিস্তান। পরাজিত। লন্ডভন্ড। ইয়াহিয়া খান বন্দী। ভুট্টো ক্ষমতা দখল করলেন। বঙ্গবন্ধুকে বললেন, ‘লেস দ্যান লুজ কনফেডারেশন, যৌথ বিবৃতি, টাইপ করা কাগজ তার হাতে। চারপাশে উদ্যত সঙ্গীন। বঙ্গবন্ধু বলেন, আমাকে গুলি করতে পারাে, মেরে ফেলতে পারাে, কিন্তু আমার কোনও সম্মতি এতে পাবে না। আগে দেশে যাবাে। জনগণের কাছে শুনবাে।' অনমনীয়। গ্রেফতারের পূর্বেই যিনি বলেছিলেন, “যে মানুষ মৃত্যুর জন্য প্রস্তুত, কেউ তাকে মারতে পারবে না।” বইটিতে মৃত্যু-সেল থেকে জেলার হাবিব কী করে গােপনে তার বাড়িতে বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে এলেন, ভুট্টোর সঙ্গে সংলাপের গােপন টেপ, খসড়া জবানবন্দীর ছিন্নপত্র এবং জাতীয়-আন্তর্জাতিক চতুর্ভুজ ষড়যন্ত্র ও প্রভাব সবই ইতিহাসের রহস্য ঘেরা চমকপ্রদ ঘটনাবলি আলােচিত।
See More
https://pathakshamabesh.com/web/image/product.template/22679/image_1920?unique=498e3d7

320.00 ৳ 320.0 BDT 400.00 ৳

Not Available For Sale

(20% OFF)

This combination does not exist.

নির্জন। নিঃসঙ্গ। বিভীষিকা। মৃত্যুকূপ যেন! বাঙালি জাতিরাষ্ট্রের পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বন্দী। বাংলাদেশের পক্ষে যুদ্ধ ঘােষণা, পরিচালনা, রাষ্ট্রদ্রোহিতার অভিযােগে অভিযুক্ত। সামরিক ট্রাইবুনালে বিচারের সময় ইয়াহিয়া খানের ২৬শে মার্চের ভাষণ শােনানাে হলাে। তিনি বললেন: এই যদি অভিযােগ, তাহলে আমার কোনাে আইনজীবীর প্রয়ােজন নেই। তবুও রাষ্ট্রপক্ষ এ. কে. ব্রোহীকে নিয়ােগ দিলাে। বঙ্গবন্ধু বললেন: এসবের প্রয়ােজন নেই। ইয়াহিয়া খান ঘােষণা করেছেন মুজিবকে শাস্তি পেতেই হবে। প্রধান সামরিক আইন প্রশাসক তার নিয়ােজিত মিলিটারি কোর্ট। ক্যামেরা ট্রায়াল। প্রিজাজড রায় লিখিত। এ ক্ষেত্রে বিচার হবে প্রহসন। সেলের সামনে কবর খোঁড়া শেষ। অন্যদিকে বিশ্বজনমতের চতুর্ভূজ চাপ: ‘মুজিবকে মুক্তি দিতে হবে। বাংলাদেশকে ঘিরে ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধ। পাকিস্তান। পরাজিত। লন্ডভন্ড। ইয়াহিয়া খান বন্দী। ভুট্টো ক্ষমতা দখল করলেন। বঙ্গবন্ধুকে বললেন, ‘লেস দ্যান লুজ কনফেডারেশন, যৌথ বিবৃতি, টাইপ করা কাগজ তার হাতে। চারপাশে উদ্যত সঙ্গীন। বঙ্গবন্ধু বলেন, আমাকে গুলি করতে পারাে, মেরে ফেলতে পারাে, কিন্তু আমার কোনও সম্মতি এতে পাবে না। আগে দেশে যাবাে। জনগণের কাছে শুনবাে।' অনমনীয়। গ্রেফতারের পূর্বেই যিনি বলেছিলেন, “যে মানুষ মৃত্যুর জন্য প্রস্তুত, কেউ তাকে মারতে পারবে না।” বইটিতে মৃত্যু-সেল থেকে জেলার হাবিব কী করে গােপনে তার বাড়িতে বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে এলেন, ভুট্টোর সঙ্গে সংলাপের গােপন টেপ, খসড়া জবানবন্দীর ছিন্নপত্র এবং জাতীয়-আন্তর্জাতিক চতুর্ভুজ ষড়যন্ত্র ও প্রভাব সবই ইতিহাসের রহস্য ঘেরা চমকপ্রদ ঘটনাবলি আলােচিত।

Prof. Abu Sayeed

আবু সাইয়িদ (জন্ম: ১ নভেম্বর ১৯৪৫) একজন বাংলাদেশী রাজনীতিবিদ, মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক ও সাবেক প্রতিমন্ত্রী। তিনি পাবনা-৮ ও পাবনা-১ আসনের সংসদ সদস্য ছিলেন। আবু সাইয়িদ ১ নভেম্বর ১৯৪৫ সালে পাবনা জেলার বেড়া উপজেলার বৃশালিখা গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। ২০১৩ সালে আবু সাইয়িদ রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পিএইচডি ডিগ্রী লাভ করেন তার পিএইচডি গবেষণার বিষয় ছিল "ইন্ডিপেন্ডেন্স অফ বাংলাদেশ: এ ডিপলোমেটিক ওয়ার" (বাংলাদেশের স্বাধীনতা: একটি কূটনৈতিক যুদ্ধ) আবু সাইয়িদ রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও রাকসু ভিপি ছিলেন। তিনি ১৯৭০ সালে তৎকালীন পাকিস্তানের জাতীয় পরিষদের সদস্য ছিলেন। ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সাত নম্বর সেক্টরে উপদেষ্টা ও ক্যাম্প ইনচার্জ ছিলেন। ১৯৭২ সালে গঠিত ৩৪ সদস্য বিশিষ্ট বাংলাদেশের সংবিধান প্রণয়ন কমিটির সদস্য ছিলেন। ১৯৭৩ সালের প্রথম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের প্রার্থী হিসেবে তৎকালীন পাবনা-৮ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন তিনি। ১৯৭৫ সালে তিনি শেখ মুজিবুর রহমানের বাকশাল সরকার কর্তৃক পাবনা জেলার গভর্নর নিযুক্ত হন। ১২ জুন ১৯৯৬ সালের সপ্তম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের প্রার্থী হিসেবে পাবনা-১ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। সপ্তম জাতীয় সংসদে তিনি তথ্য প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।তিনি ১৯৯১ সালের পঞ্চম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাকশালের প্রার্থী হিসেবে, ২০০১ সালের অষ্টম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের প্রার্থী হিসেবে, ২০১৪ সালের দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে ও ২০১৮ সালের একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে গণফোরাম থেকে পাবনা-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বীতা করে পরাজিত হন।

Title

একাত্তরে বন্দী মুজিব : পাকিস্তানের মৃত্যুযন্ত্রণা

Author

Prof. Abu Sayeed

Publisher

Sucheepatra

Number of Pages

157

Language

Bengali / বাংলা

Category

  • Bangabandhu / Politics / History
  • First Published

    JAN 2020

    Delivery Charge (Based on Location & Book Weight)

     Inside Dhaka City: Starts from Tk. 70 (Based on book weight)

     Outside Dhaka (Anywhere in Bangladesh): Starts from Tk. 150 (Weight-wise calculation applies)

     International Delivery: Charges vary by country and book weight — will be informed after order confirmation.

     3 Days Happy ReturnChange of mind is not applicable

     Multiple Payment Methods

    Credit/Debit Card, bKash, Rocket, Nagad, and Cash on Delivery also available. 

    নির্জন। নিঃসঙ্গ। বিভীষিকা। মৃত্যুকূপ যেন! বাঙালি জাতিরাষ্ট্রের পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বন্দী। বাংলাদেশের পক্ষে যুদ্ধ ঘােষণা, পরিচালনা, রাষ্ট্রদ্রোহিতার অভিযােগে অভিযুক্ত। সামরিক ট্রাইবুনালে বিচারের সময় ইয়াহিয়া খানের ২৬শে মার্চের ভাষণ শােনানাে হলাে। তিনি বললেন: এই যদি অভিযােগ, তাহলে আমার কোনাে আইনজীবীর প্রয়ােজন নেই। তবুও রাষ্ট্রপক্ষ এ. কে. ব্রোহীকে নিয়ােগ দিলাে। বঙ্গবন্ধু বললেন: এসবের প্রয়ােজন নেই। ইয়াহিয়া খান ঘােষণা করেছেন মুজিবকে শাস্তি পেতেই হবে। প্রধান সামরিক আইন প্রশাসক তার নিয়ােজিত মিলিটারি কোর্ট। ক্যামেরা ট্রায়াল। প্রিজাজড রায় লিখিত। এ ক্ষেত্রে বিচার হবে প্রহসন। সেলের সামনে কবর খোঁড়া শেষ। অন্যদিকে বিশ্বজনমতের চতুর্ভূজ চাপ: ‘মুজিবকে মুক্তি দিতে হবে। বাংলাদেশকে ঘিরে ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধ। পাকিস্তান। পরাজিত। লন্ডভন্ড। ইয়াহিয়া খান বন্দী। ভুট্টো ক্ষমতা দখল করলেন। বঙ্গবন্ধুকে বললেন, ‘লেস দ্যান লুজ কনফেডারেশন, যৌথ বিবৃতি, টাইপ করা কাগজ তার হাতে। চারপাশে উদ্যত সঙ্গীন। বঙ্গবন্ধু বলেন, আমাকে গুলি করতে পারাে, মেরে ফেলতে পারাে, কিন্তু আমার কোনও সম্মতি এতে পাবে না। আগে দেশে যাবাে। জনগণের কাছে শুনবাে।' অনমনীয়। গ্রেফতারের পূর্বেই যিনি বলেছিলেন, “যে মানুষ মৃত্যুর জন্য প্রস্তুত, কেউ তাকে মারতে পারবে না।” বইটিতে মৃত্যু-সেল থেকে জেলার হাবিব কী করে গােপনে তার বাড়িতে বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে এলেন, ভুট্টোর সঙ্গে সংলাপের গােপন টেপ, খসড়া জবানবন্দীর ছিন্নপত্র এবং জাতীয়-আন্তর্জাতিক চতুর্ভুজ ষড়যন্ত্র ও প্রভাব সবই ইতিহাসের রহস্য ঘেরা চমকপ্রদ ঘটনাবলি আলােচিত।
    No Specifications