Skip to Content
জেন্ডার আলোকে সংস্কৃতি

Price:

280.00 ৳


জেনেটিক্স : বংশগতিবিদ্যার সহজ পাঠ
জেনেটিক্স : বংশগতিবিদ্যার সহজ পাঠ
344.00 ৳
430.00 ৳ (20% OFF)
জেন্ডার এবং সামাজিক বৈষম্য
জেন্ডার এবং সামাজিক বৈষম্য
240.00 ৳
300.00 ৳ (20% OFF)
20% OFF

জেন্ডার আলোকে সংস্কৃতি

যুগ যুগ ধরে আমাদের দেশে যে সংস্কৃতি গড়ে উঠেছে, তা পুরুষ পৃথিবীর সংস্কৃতি, পুরুষতন্ত্রের হাতে তৈরি সংস্কৃতি। প্রচল সংস্কৃতি নারীকে অধস্তন হিসেবেই কল্পনা করে—তার মাথায় কখনাে পরিয়ে দেয় কলঙ্কের ছিন্ন পালক, কখনাে-বা অনাবশ্যক মহিমামুকুট। আমাদের সনাতন সংস্কৃতি নারীকে সবসময় পুরুষসাপেক্ষ করে রেখেছে, তাকে হতে দেয়নি স্বাধীন ও স্বায়ত্তশাসিত। নারী-পুরুষের সম্পর্কও এখানে নেতিবাচক বন্ধনে আবদ্ধ, যে-কোন সময় তা হয়ে পড়তে পারে ছিন্ন । আমাদের সংস্কৃতিতে নারীভাবনা মানবিকবােধের অভাবে বিপন্ন ও পঙ্গু। নারী সম্পর্কে, প্রকৃত প্রস্তাবে, কোনাে শ্রদ্ধাবােধই জাগাতে চায়নি সনাতন সংস্কৃতি। প্রচলিত সংস্কৃতির সবচেয়ে বড় ব্যর্থতা এই যে, তা নারীকে কখনােই মানুষ হিসেবে স্বীকৃতি দেয়নি। প্রকৃত আলােকিত মানুষ মাত্রই স্বীকার করবেন যে, নারী-পুরুষের সম-অংশীদারিত্বের মাধ্যমে গড়ে ওঠে যে সংস্কৃতি, তা-ই প্রকৃত সংস্কৃতি। সংস্কৃতিকে বিকশিত করার জন্য নারী ও পুরুষের যৌথ অনুশীলন প্রয়ােজন। কেননা এই যৌথ অনুশীলনই সৃষ্টি করতে পারে সংস্কৃতির মৌল স্রোত। এই দৃষ্টিকোণেই সঙ্কলিত হয়েছে বর্তমান গ্রন্থের প্রবন্ধগুচ্ছ। জেভারের আলােকে বিবেচনা করলে আমাদের সংস্কৃতির কী পরিচয় পাওয়া যায়, কেমনই-বা। হওয়া উচিত আমাদের সংস্কৃতি, তা-ই সন্ধান করা হয়েছে বর্তমান গ্রন্থে।
See More
https://pathakshamabesh.com/web/image/product.template/24198/image_1920?unique=80574f2

280.00 ৳ 280.0 BDT 350.00 ৳

Not Available For Sale

(20% OFF)

This combination does not exist.

যুগ যুগ ধরে আমাদের দেশে যে সংস্কৃতি গড়ে উঠেছে, তা পুরুষ পৃথিবীর সংস্কৃতি, পুরুষতন্ত্রের হাতে তৈরি সংস্কৃতি। প্রচল সংস্কৃতি নারীকে অধস্তন হিসেবেই কল্পনা করে—তার মাথায় কখনাে পরিয়ে দেয় কলঙ্কের ছিন্ন পালক, কখনাে-বা অনাবশ্যক মহিমামুকুট। আমাদের সনাতন সংস্কৃতি নারীকে সবসময় পুরুষসাপেক্ষ করে রেখেছে, তাকে হতে দেয়নি স্বাধীন ও স্বায়ত্তশাসিত। নারী-পুরুষের সম্পর্কও এখানে নেতিবাচক বন্ধনে আবদ্ধ, যে-কোন সময় তা হয়ে পড়তে পারে ছিন্ন । আমাদের সংস্কৃতিতে নারীভাবনা মানবিকবােধের অভাবে বিপন্ন ও পঙ্গু। নারী সম্পর্কে, প্রকৃত প্রস্তাবে, কোনাে শ্রদ্ধাবােধই জাগাতে চায়নি সনাতন সংস্কৃতি। প্রচলিত সংস্কৃতির সবচেয়ে বড় ব্যর্থতা এই যে, তা নারীকে কখনােই মানুষ হিসেবে স্বীকৃতি দেয়নি। প্রকৃত আলােকিত মানুষ মাত্রই স্বীকার করবেন যে, নারী-পুরুষের সম-অংশীদারিত্বের মাধ্যমে গড়ে ওঠে যে সংস্কৃতি, তা-ই প্রকৃত সংস্কৃতি। সংস্কৃতিকে বিকশিত করার জন্য নারী ও পুরুষের যৌথ অনুশীলন প্রয়ােজন। কেননা এই যৌথ অনুশীলনই সৃষ্টি করতে পারে সংস্কৃতির মৌল স্রোত। এই দৃষ্টিকোণেই সঙ্কলিত হয়েছে বর্তমান গ্রন্থের প্রবন্ধগুচ্ছ। জেভারের আলােকে বিবেচনা করলে আমাদের সংস্কৃতির কী পরিচয় পাওয়া যায়, কেমনই-বা। হওয়া উচিত আমাদের সংস্কৃতি, তা-ই সন্ধান করা হয়েছে বর্তমান গ্রন্থে।

সেলিনা হোসেন

সেলিনা হোসেন ২১টি উপন্যাস, ৭টি গল্পগ্রন্থ ও ৪টি প্রবন্ধগ্রন্থের রচয়িতা সেলিনা হোসেন বাংলাদেশের একজন জনপ্রিয় কথাসাহিত্যিক। সমকালীন রাজনৈতিক সংকট ও দ্বন্দ্বের উৎস ও প্রেক্ষাপট উঠে এসেছে সেলিনা হোসেন এর বই সমূহ-তে। সেলিনা হোসেন এর বই সমগ্র অনূদিত হয়েছে ইংরেজি, রুশসহ একাধিক ভাষায়। প্রবীণ এ লেখিকা ২০১৪ সাল থেকে বাংলাদেশ শিশু একাডেমির চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করার পর কর্মজীবন থেকে অবসর নেন। সেলিনা হোসেন ১৯৪৭ সালের ১৪ই জুন রাজশাহীতে জন্মগ্রহণ করেন। আদি পৈতৃক নিবাস নোয়াখালীতে হলেও সেখানে বেশি দিন থাকা হয়নি তার। চাকরিসূত্রে তার বাবা রাজশাহী চলে এলে সেটিই হয়ে ওঠে সেলিনার শহর। স্থানীয় এক বালিকা বিদ্যালয়ে প্রাথমিক ও মাধ্যমিক শিক্ষা সমাপ্ত করে রাজশাহী মহিলা কলেজে ভর্তি হন। ছোটবেলা থেকেই সাহিত্য পড়তে ভালোবাসতেন তিনি। আর ভালোবাসার টানে উচ্চ মাধ্যমিক শেষে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগে ভর্তি হন। এখান থেকেই স্নাতক এবং স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করেন। ১৯৭০ সালে বাংলা একাডেমির গবেষণা সহকারী হিসেবে কর্মজীবন শুরু করেন সেলিনা হোসেন। এরপর সরকারি কলেজে শিক্ষকতা এবং পাবলিক সার্ভিস কমিশনেও কাজ করেছেন তিনি। পাশাপাশি পত্রপত্রিকার জন্য চালিয়ে গেছেন তার কলম। টানা ২০ বছর তিনি ‘ধান শালিকের দেশ’ পত্রিকার সম্পাদনা করেন। ১৯৯৭ থেকে ২০০৪ সাল পর্যন্ত বাংলা একাডেমির প্রথম নারী পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন তিনি। সেলিনা হোসেন মুক্তিযুদ্ধের উপন্যাস রচনা করে পাঠকমনে চিরস্থায়ী আসন করে নিয়েছেন। তার রচিত মুক্তযুদ্ধ বিষয়ক কালজয়ী উপন্যাস ‘হাঙর নদী গ্রেনেড’ নিয়ে তৈরি হয়েছে চলচ্চিত্রও। ‘যাপিত জীবন’, ‘ক্ষরণ’, ‘কাঁটাতারে প্রজাপতি’, ‘ভালোবাসা প্রীতিলতা’, ‘যুদ্ধ’, ‘গায়ত্রী সন্ধ্যা’ (তিন খণ্ড) ইত্যাদি তার জনপ্রিয় উপন্যাস। ‘স্বদেশে পরবাসী’, ‘একাত্তরের ঢাকা’, ‘ঊনসত্তরের গণ-আন্দোলন’ ইত্যাদি তার জনপ্রিয় প্রবন্ধ। কিশোরদের জন্য তিনি লিখেছেন ‘কাকতাড়ুয়া’, ‘চাঁদের বুড়ি পান্তা ইলিশ’, ‘আকাশ পরী’, ‘এক রূপোলি নদী’ সহ বেশ কিছু সুপাঠ্য গ্রন্থ। সাহিত্যাঙ্গনে এই অনবদ্য অবদানের জন্য রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় তাকে ডি.লিট ডিগ্রি প্রদান করে। এছাড়াও তিনি ‘আলাওল সাহিত্য পুরস্কার’, ‘রবীন্দ্রস্মৃতি পুরস্কার’, ‘বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার’ সহ অসংখ্য পদক পুরস্কার পেয়েছেন।

Title

জেন্ডার আলোকে সংস্কৃতি

Editor

সেলিনা হোসেন , বিশ্বজিৎ ঘোষ

Publisher

Mowla Brothers

Number of Pages

202

Language

Bengali / বাংলা

Category

  • Gender Studies
  • First Published

    FEB 2008

    Delivery Charge (Based on Location & Book Weight)

     Inside Dhaka City: Starts from Tk. 70 (Based on book weight)

     Outside Dhaka (Anywhere in Bangladesh): Starts from Tk. 150 (Weight-wise calculation applies)

     International Delivery: Charges vary by country and book weight — will be informed after order confirmation.

     3 Days Happy ReturnChange of mind is not applicable

     Multiple Payment Methods

    Credit/Debit Card, bKash, Rocket, Nagad, and Cash on Delivery also available. 

    যুগ যুগ ধরে আমাদের দেশে যে সংস্কৃতি গড়ে উঠেছে, তা পুরুষ পৃথিবীর সংস্কৃতি, পুরুষতন্ত্রের হাতে তৈরি সংস্কৃতি। প্রচল সংস্কৃতি নারীকে অধস্তন হিসেবেই কল্পনা করে—তার মাথায় কখনাে পরিয়ে দেয় কলঙ্কের ছিন্ন পালক, কখনাে-বা অনাবশ্যক মহিমামুকুট। আমাদের সনাতন সংস্কৃতি নারীকে সবসময় পুরুষসাপেক্ষ করে রেখেছে, তাকে হতে দেয়নি স্বাধীন ও স্বায়ত্তশাসিত। নারী-পুরুষের সম্পর্কও এখানে নেতিবাচক বন্ধনে আবদ্ধ, যে-কোন সময় তা হয়ে পড়তে পারে ছিন্ন । আমাদের সংস্কৃতিতে নারীভাবনা মানবিকবােধের অভাবে বিপন্ন ও পঙ্গু। নারী সম্পর্কে, প্রকৃত প্রস্তাবে, কোনাে শ্রদ্ধাবােধই জাগাতে চায়নি সনাতন সংস্কৃতি। প্রচলিত সংস্কৃতির সবচেয়ে বড় ব্যর্থতা এই যে, তা নারীকে কখনােই মানুষ হিসেবে স্বীকৃতি দেয়নি। প্রকৃত আলােকিত মানুষ মাত্রই স্বীকার করবেন যে, নারী-পুরুষের সম-অংশীদারিত্বের মাধ্যমে গড়ে ওঠে যে সংস্কৃতি, তা-ই প্রকৃত সংস্কৃতি। সংস্কৃতিকে বিকশিত করার জন্য নারী ও পুরুষের যৌথ অনুশীলন প্রয়ােজন। কেননা এই যৌথ অনুশীলনই সৃষ্টি করতে পারে সংস্কৃতির মৌল স্রোত। এই দৃষ্টিকোণেই সঙ্কলিত হয়েছে বর্তমান গ্রন্থের প্রবন্ধগুচ্ছ। জেভারের আলােকে বিবেচনা করলে আমাদের সংস্কৃতির কী পরিচয় পাওয়া যায়, কেমনই-বা। হওয়া উচিত আমাদের সংস্কৃতি, তা-ই সন্ধান করা হয়েছে বর্তমান গ্রন্থে।
    No Specifications