Skip to Content
চর্যাপদ : পাঠ ও মূল্যায়ন

Price:

240.00 ৳


চর্যাপদ (শব্দচাষ)
চর্যাপদ (শব্দচাষ)
208.00 ৳
260.00 ৳ (20% OFF)
চলচ্চিত্র : তত্ত্ব ও গবেষণা
চলচ্চিত্র : তত্ত্ব ও গবেষণা
280.00 ৳
350.00 ৳ (20% OFF)
20% OFF

চর্যাপদ : পাঠ ও মূল্যায়ন

চর্যাপদ বাংলা ভাষার প্রাচীন যুগের একমাত্র সাহিত্য নিদর্শন। নব্য ভারতীয় আর্যভাষারও প্রাচীনতম রচনা এটি। এর রচনাকাল সপ্তম থেকে দ্বাদশ শতকের (৬৫০-১২০০) মধ্যবর্তী সময়ে। এর রচয়িতারা ছিলেন সহজিয়া বৌদ্ধ সিদ্ধাচার্য। বৌদ্ধ ধর্মের গুঢ় অর্থ সাংকেতিক রূপের আশ্রয়ে ব্যাখ্যার উদ্দেশ্যেই তারা পদগুলাে রচনা করেছিলেন। ১৯০৭ খ্রিস্টাব্দে মহামহােপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রী নেপালের রাজদরবারের গ্রন্থশালা থেকে এই চর্যাপদ আবিষ্কার করেন এবং চর্যাচর্যবিনিশ্চয়, সরহপাদ, কৃষ্ণপাদের দোহা ও ডাকার্ণব এই চারটি পুঁথি একত্রে ১৯১৬ সালে বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ থেকে হাজার বছরের পুরাণ বাংলা ভাষায় বৌদ্ধগান ও দোহা। শিরােনামে এটি প্রকাশিত হয়। মাত্রাবৃত্ত ছন্দে রচিত। চর্যাপদে ২৪ জন পদকর্তার মােট ৫১ পদ ছিল। গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হয়েছে সাড়ে ৪৬টি পদ। এটি মূলত গীতিকাব্য। এই গানগুলাের প্রকৃতি সম্পর্কে। গবেষকরা বলেন, গানের মাধুর্য বাণীর উত্তর্ষে নয় , সুরলালিত্যে। কথা সেখানে গৌণ, সুরই মুখ্য। কিন্তু চর্যারপদগুলাে মূলত বাণীপ্রধান গান। বাংলা সাধন সংগীতের শাখাটির সূত্রপাতও এই চর্যাপদ থেকেই। এই বিবেচনায় এটি ধর্মবিষয়ক রচনা। একই সঙ্গে সমকালীন বাংলার সামাজিক ও প্রাকৃতিক চিত্রাবলী এই পদগুলােতে উজ্জ্বল। এর সাহিত্যগুণ আজও চিত্তাকর্ষক। আলােচ্য গ্রন্থে চর্যাপদগুলাের আধুনিক বাংলা রূপ, ভাষা, সাহিত্যগুণ, সমাজচিত্রসহ নানাবিধ বিষয় বিশ্লেষণ করা। হয়েছে। ফলে গ্রন্থটি হয়ে উঠেছে প্রাচীন যুগের নিদর্শন চর্যাপদের আলােচনামূলক একটি আঁকর গ্রন্থ।
See More
https://pathakshamabesh.com/web/image/product.template/23706/image_1920?unique=29fbc2a

240.00 ৳ 240.0 BDT 300.00 ৳

Not Available For Sale

(20% OFF)

This combination does not exist.

চর্যাপদ বাংলা ভাষার প্রাচীন যুগের একমাত্র সাহিত্য নিদর্শন। নব্য ভারতীয় আর্যভাষারও প্রাচীনতম রচনা এটি। এর রচনাকাল সপ্তম থেকে দ্বাদশ শতকের (৬৫০-১২০০) মধ্যবর্তী সময়ে। এর রচয়িতারা ছিলেন সহজিয়া বৌদ্ধ সিদ্ধাচার্য। বৌদ্ধ ধর্মের গুঢ় অর্থ সাংকেতিক রূপের আশ্রয়ে ব্যাখ্যার উদ্দেশ্যেই তারা পদগুলাে রচনা করেছিলেন। ১৯০৭ খ্রিস্টাব্দে মহামহােপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রী নেপালের রাজদরবারের গ্রন্থশালা থেকে এই চর্যাপদ আবিষ্কার করেন এবং চর্যাচর্যবিনিশ্চয়, সরহপাদ, কৃষ্ণপাদের দোহা ও ডাকার্ণব এই চারটি পুঁথি একত্রে ১৯১৬ সালে বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ থেকে হাজার বছরের পুরাণ বাংলা ভাষায় বৌদ্ধগান ও দোহা। শিরােনামে এটি প্রকাশিত হয়। মাত্রাবৃত্ত ছন্দে রচিত। চর্যাপদে ২৪ জন পদকর্তার মােট ৫১ পদ ছিল। গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হয়েছে সাড়ে ৪৬টি পদ। এটি মূলত গীতিকাব্য। এই গানগুলাের প্রকৃতি সম্পর্কে। গবেষকরা বলেন, গানের মাধুর্য বাণীর উত্তর্ষে নয় , সুরলালিত্যে। কথা সেখানে গৌণ, সুরই মুখ্য। কিন্তু চর্যারপদগুলাে মূলত বাণীপ্রধান গান। বাংলা সাধন সংগীতের শাখাটির সূত্রপাতও এই চর্যাপদ থেকেই। এই বিবেচনায় এটি ধর্মবিষয়ক রচনা। একই সঙ্গে সমকালীন বাংলার সামাজিক ও প্রাকৃতিক চিত্রাবলী এই পদগুলােতে উজ্জ্বল। এর সাহিত্যগুণ আজও চিত্তাকর্ষক। আলােচ্য গ্রন্থে চর্যাপদগুলাের আধুনিক বাংলা রূপ, ভাষা, সাহিত্যগুণ, সমাজচিত্রসহ নানাবিধ বিষয় বিশ্লেষণ করা। হয়েছে। ফলে গ্রন্থটি হয়ে উঠেছে প্রাচীন যুগের নিদর্শন চর্যাপদের আলােচনামূলক একটি আঁকর গ্রন্থ।

ড. মিজান রহমান

ড. মিজান রহমান একজন শেকড়সন্ধানী পরিশ্রমী গবেষক। কবিতা সৃষ্টিতেও তিনি একই রকম নিমগ্ন। তরুণ ফোকলোরিস্ট, প্রাবন্ধিক ও লিটল ম্যাগাজিন কর্ষণ সম্পাদক হিসেবে বাংলা সাহিত্য জগতে নিজের অবস্থান সৃদৃঢ় করেছেন। লেখাপড়া করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগে। স্নাতক (সম্মান) ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করে বৃহত্তর বরিশালের লোকসংস্কৃতি অবিসন্দর্ভ রচনা করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেন। তাঁর গবেষণার সীমানায় রয়েছে আঞ্চলিক ইতিহাস ও ঐতিহ্যের সন্ধান ও লোকসংস্কৃতির নানামাত্রিক অনুসন্ধান। বাংলাদেশ এশিয়াটিক সোসাইটি থেকে প্রকাশিত বাংলাপিডিয়ার লেখক এবং বাংলাদেশ সাংস্কৃতিক সমীক্ষামালা প্রকল্পের লোকসংস্কৃতি ও প্রবাদ-প্রবচন গ্রন্থদ্বয়ের সহকারী গবেষক হিসেবে দক্ষতার সাথে দায়িত্ব পালন করেন। তিনি বাংলা একাডেমি, বাংলাদেশ এশিয়াটিক সোসাইট, ঢাকা ইউনিভার্সিটি অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় বাংলা অ্যালামনাই, জাতিসংঘ সমিতি ও বাঙলা সমিতির জীবন সদস্য। বর্তমানে নটর ডেম কলেজে বাংলা বিভাগে অধ্যাপনা করছেন।

Title

চর্যাপদ : পাঠ ও মূল্যায়ন

Author

ড. মিজান রহমান

Publisher

Bhashaprokash

Number of Pages

255

Language

Bengali / বাংলা

Category

  • Literary Criticism
  • First Published

    FEB 2018

    Delivery Charge (Based on Location & Book Weight)

     Inside Dhaka City: Starts from Tk. 70 (Based on book weight)

     Outside Dhaka (Anywhere in Bangladesh): Starts from Tk. 150 (Weight-wise calculation applies)

     International Delivery: Charges vary by country and book weight — will be informed after order confirmation.

     3 Days Happy ReturnChange of mind is not applicable

     Multiple Payment Methods

    Credit/Debit Card, bKash, Rocket, Nagad, and Cash on Delivery also available. 

    চর্যাপদ বাংলা ভাষার প্রাচীন যুগের একমাত্র সাহিত্য নিদর্শন। নব্য ভারতীয় আর্যভাষারও প্রাচীনতম রচনা এটি। এর রচনাকাল সপ্তম থেকে দ্বাদশ শতকের (৬৫০-১২০০) মধ্যবর্তী সময়ে। এর রচয়িতারা ছিলেন সহজিয়া বৌদ্ধ সিদ্ধাচার্য। বৌদ্ধ ধর্মের গুঢ় অর্থ সাংকেতিক রূপের আশ্রয়ে ব্যাখ্যার উদ্দেশ্যেই তারা পদগুলাে রচনা করেছিলেন। ১৯০৭ খ্রিস্টাব্দে মহামহােপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রী নেপালের রাজদরবারের গ্রন্থশালা থেকে এই চর্যাপদ আবিষ্কার করেন এবং চর্যাচর্যবিনিশ্চয়, সরহপাদ, কৃষ্ণপাদের দোহা ও ডাকার্ণব এই চারটি পুঁথি একত্রে ১৯১৬ সালে বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ থেকে হাজার বছরের পুরাণ বাংলা ভাষায় বৌদ্ধগান ও দোহা। শিরােনামে এটি প্রকাশিত হয়। মাত্রাবৃত্ত ছন্দে রচিত। চর্যাপদে ২৪ জন পদকর্তার মােট ৫১ পদ ছিল। গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হয়েছে সাড়ে ৪৬টি পদ। এটি মূলত গীতিকাব্য। এই গানগুলাের প্রকৃতি সম্পর্কে। গবেষকরা বলেন, গানের মাধুর্য বাণীর উত্তর্ষে নয় , সুরলালিত্যে। কথা সেখানে গৌণ, সুরই মুখ্য। কিন্তু চর্যারপদগুলাে মূলত বাণীপ্রধান গান। বাংলা সাধন সংগীতের শাখাটির সূত্রপাতও এই চর্যাপদ থেকেই। এই বিবেচনায় এটি ধর্মবিষয়ক রচনা। একই সঙ্গে সমকালীন বাংলার সামাজিক ও প্রাকৃতিক চিত্রাবলী এই পদগুলােতে উজ্জ্বল। এর সাহিত্যগুণ আজও চিত্তাকর্ষক। আলােচ্য গ্রন্থে চর্যাপদগুলাের আধুনিক বাংলা রূপ, ভাষা, সাহিত্যগুণ, সমাজচিত্রসহ নানাবিধ বিষয় বিশ্লেষণ করা। হয়েছে। ফলে গ্রন্থটি হয়ে উঠেছে প্রাচীন যুগের নিদর্শন চর্যাপদের আলােচনামূলক একটি আঁকর গ্রন্থ।
    No Specifications